ঢাকাMonday , 1 March 2021

প্রসঙ্গ কথা: বালাগঞ্জ-উসমানীনগর ধারাভাষ্যকার সংস্থা

Link Copied!

ধারাভাষ্য হলো কথার শিল্প, আর ধারাভাষ্যকারেরা হলেন কথার শিল্পী। ক্রীড়াঙ্গনের ক্রীড়াশৈলী, ক্রীড়ানৈপুণ্য তথা মাঠের চিত্র দর্শক উপস্থিতিদের সামনে সুনিপুণ মাধুর্যে শৈল্পিক ভাষায় তুলে ধরার নামই ক্রীড়া ধারাভাষ্য। আর যারা মাইক্রোফোন তুলে ধরেন তারা হলেন ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার।

ক্রীড়াঙ্গনের প্রসার আর খেলাধুলার সংখ্যা বেড়ে যাওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন তথা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ফেসবুক পেইজ লাইভ সম্প্রচার কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ায় অনেক ধারাভাষ্যকার উঠে আসছেন।

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে নিজের উৎকর্ষতা বিকাশের পাশাপাশি তরুণেরা মেধা-যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে দর্শকদের মনে যায়গা করে নিয়েছেন। তার উপর বিজ্ঞ, বয়োজ্যেষ্ঠ, প্রতিষ্ঠিত ও প্রথিতযশা ধারাভাষ্যকারেরাতো অবশ্যই রয়েছেন।

আর এরকম অবস্থায় সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে কাজ করার লক্ষ্যে এবং ঐক্য, ভাতৃত্ব ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সকলের সুচিন্তিত মতামতের ভিত্তিতে ধারাভাষ্যকারদের নিয়ে একটি সংঘঠন তৈরিকরা এখন সময়ের দাবি।আর এই বাস্তব বিষয় পর্যালোচনায় অবিভক্ত বালাগঞ্জ তথা বালাগঞ্জ-উসমানীনগর উপজেলার সকল ধারাভাষ্যকারদের নিয়ে একটি সংঘঠন তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করাকে আমি স্বাগত জানাচ্ছি এবং এটিকে সাদরে গ্রহণ করছি।ভিন্নচিন্তা,ভিন্নমত আর মনের কলুষতাকে বিসর্জন দিয়ে সকলে মিলেমিশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধারাভাষ্যকারদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় এবং এই শিল্পের উৎকর্ষতা বিকাশে উক্ত সংঘটি সঠিক,যথাযথ ও অনবদ্য ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

অবশ্যই এক্ষেত্রে এই কাজটি করতে অর্থাৎ উক্ত সুন্দর পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে জুনিয়রদের সাথে নিয়ে সিনিয়রেরা সংস্থাটির রূপরেখা তৈরি করে সঠিক ও যথাযথ বাস্তবায়নে জোর দেবেন এটিই কাম্য।

অনলাইন-অফলাইন তথা সকল ক্ষেত্রের ধারাভাষ্যকারদের নিয়ে গড়ে উঠুক বালাগঞ্জ-উসমানীনগর উপজেলা ধারাভাষ্যকার সংস্থা আর উক্ত ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি সকল ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতায় পুষ্প-পত্র-প্ললবে সুশোভিত হোক পুরো ধারাভাষ্যঙ্গন ও সমস্ত ক্রীড়াঙ্গন, সাদামনে এমনটাই প্রত্যাশা করছি।

– নাবিল হায়দার চৌধুরী