ঢাকাSaturday , 6 February 2021

ডাচ বাংলা ব্যাংকের সেভিং অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা রাখতে হবে!

Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: ডাচ বাংলা ব্যাংকের সেভিং অ্যাকাউন্টে জমা রাখতে হবে কমপক্ষে ৫ হাজার টাকা, এজন্য গ্রাহকরা পাবে কিছু বাড়তি সুবিধাও। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রাহক মতামত না জানালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভিংস হিসাবে আটকে যাবে গ্রাহকের টাকা। তবে এনিয়ে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।

এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ‘কোনো ব্যাংক চাইলে তার গ্রাহকদের আকর্ষণীয় অফার দিতেই পারে, সেক্ষেত্রে গ্রাহকের স্বার্থকেই প্রধান্য দিতে হবে।’

ডাচ বাংলা ব্যাংকের সেভিংস অ্যাকাউন্টের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে। এমন তথ্য ভেসে বেড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। গ্রাহকরা এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ।

গ্রাহকরা জানায়, ‘ইদানিং একটা মেসেজ দিচ্ছে তারা সেখানে তারা বলছে সেভিংস প্লাস অ্যাকাউন্ট করবে যেখানে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা রাখতে বলছে। পাঁচশ টাকার জায়গায় যদি পাঁচ হাজার টাকা রাখতে বলা হয় তা আমাদের জন্য সমস্যা। তারা যদি অ্যাকাউন্টটা অটো করে ফেলে তাহলে আমার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিতে হবে।’

উত্তরা শাখার এক গ্রাহককে দেয়া ব্যাংকের চিঠিতে দেখা যায়, ‘সেভিংস বা সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট চালানোর ক্ষেত্রে গ্রাহকে নূন্যতম ৫শ’ টাকার বদলে আগামী মে থেকে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা রাখতে হবে। স্বয়ংক্রিয় ভাবেই চালু হবে নতুন এ স্কিম তবে গ্রাহক না চাইলে তা জানাতে হবে ৯০ দিনের মধ্যে। উত্তরা শাখার ম্যানেজার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।’

গ্রাহকরা ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, আমরাতো প্রথমে একটা নিয়ম মেনে অ্যাকাউন্ট করেছি এখন মাজপথে এসে যদি তারা নতুন কোন নিয়ম করে সেটা আমাদের আগেই জানাতে হবে। ফ্যাক্টরি লেভেলে যাদের স্যালারি দেয় তাদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা অনেক বেশি হয়ে যায়। ব্যাংক যদি এমন কোন সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আর এই ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রাখবো না।

কম আয়ের গ্রাহকের দৃষ্টি কাড়তে একসময় ফ্রি এটিএম কার্ডসহ নানা অফার দিয়ে গ্রাহক সংখ্যা বাড়ালেও এখন সেই গ্রাহকের মতামত না নিয়েই অনেকটা স্বেচ্ছাচারী কায়দায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক। বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকটির উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে আনলে মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো ব্যাংক চাইলে তার ব্যবসা নীতি পরিবর্তন করতেই পারে। তবে যদি কোনো গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হন বা অভিযোগ জানান তবে তা আমলে নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।’

এ অবস্থায় ডাচ বাংলা ব্যাংকের অনেক গ্রাহক জানিয়েছেন, তারা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার কথা ভাবছেন।

সূত্র: ডিবিসি নিউজ