ঢাকাThursday , 3 December 2020

সাংবাদিকদের মিথ্যা মামলা থেকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আগামী দিনে পথে নামবে সাংবাদিক মহল

Link Copied!

সাংবাদিকদের মিথ্যা মামলা থেকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আগামী দিনে পথে নামবে সাংবাদিক মহল

 

একদিকে দেশে একের পর এক সাংবাদিককে হত্যা করা হচ্ছে, অন্যদিকে হত্যা না করে, মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে ভরে দেয়া হচ্ছে। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ কে এভাবে যদি অপমানিত হতে হয় তাহলে আগামী দিনের সাংবাদিকদের পরিনাম কি হতে পারে।যেভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে পুলিশ তাড়াতাড়ির মধ্যে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়ে দেয়, সেখানে তো বিচার দুরহ বিষয়।দেশ তথা রাজ্যের সমস্ত সাংবাদিকদের মিথ্যা মামলার থেকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সারা ভারতবর্ষে জুড়ে সাংবাদিক মহল আগামী দিনে পথে নামবে, তেমনি ভাবে পরিকল্পনা চলছে ।

 

সাংবাদিকদের উপরে অন্যায় অত্যাচার ,অবিচার ও মিথ্যা মামলা ফাঁসির আসামি সাজিয়ে সমাজের বুকে মান সম্মান হানি করছে। সেই সব অভিযোগ করিদের বিরুদ্ধে আইনত শাস্তি দিতে হবে, মিথ্যা মামলা করার জন্য।সাংবাদিক নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে ভারতবর্ষের একাধিক সাংবাদিক সংগঠন।যখন গণতন্ত্র চতুর্থ স্তম্ভ কে এইভাবে মিথ্যা মামলা নাস্তানাবুদ করা হয়, প্রয়োজনে খুন করতে দ্বিধাবোধ করে না রাজনৈতিক নেতারা। সেখানে ভারতবর্ষের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ নিরাপত্তার কোথায়।তেমনি উদাহরণ স্বরূপ বলতে গেলে সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের নিরাপত্তার অভাব রয়েছে বাংলাতে।বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ বিষয়ে তো আজ পর্যন্ত কোনো কর্ণপাত করলেন না।

 

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছোটখাটো সাংবাদিকদেরকে তেমনি গুরুত্ব দিচ্ছে না, এই বিষয়ে উদাহরণ স্বরূপ বলতে গেলে, মিথ্যা মামলায় চন্দ্রশেখর সরকার যখন জেলে হাজতবাস করছে। তখন তাকে মুক্তির দাবি তোলার পরেও আজও তিনি মুক্তি পান নি। এদিকে আলিপুর পকশো আদালতে বার এসোসিয়েশন স্টাইক করার ফলে, কোনো উকিল চন্দ্রশেখর এর বেল করাতে পারছে না। কবে ঝামেলা মিটবে আর কবে যে চন্দ্রশেখর মুক্তি পাবে তার কোন হদিস নেই।বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাংবাদিক মহলে অনুরোধ যে সাংবাদিক চন্দ্রশেখর সরকারকে নিঃশর্তে মুক্তি দেয়া হোক মিথ্যা মামলা থেকে।এইভাবে সাংবাদিকরা মিথ্যা মামলায় জেল হাজত বাস করবে, পুলিশ প্রশাসন সবকিছু জেনে বুঝে নির্বাক হয়ে থাকবে। এবং টাকার বিনিময়ে সাংবাদিককে নাজেহাল করার চেষ্টা করবে, তার প্রতিকার চেয়ে আগামী দিনের আন্দোলনে সামিল হবে দেশ-বিদেশের সাংবাদিকরা। ভারতবর্ষজুড়ে সাংবাদিকদের উপরে অত্যাচার, অবিচার, অনাচার এবং সাংবাদিক নিগ্রহ, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, সাংবাদিকদের হত্যা বন্ধ করতে হবে !এবং মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দিতে হবে। এসব আগামী দিনে বন্ধ করতে হবেই। তা না হলে আমরা দেশ-বিদেশের সমস্ত সাংবাদিকদের একত্রিত হয়ে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন নিয়ে আন্দোলনে শামিল হবো ।

 

 

 

অবিলম্বে সাংবাদিক চন্দ্রশেখর সরকারকে নিঃশর্তে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দিতে হবে। সমস্ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এমন সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিতে হবে।বাংলার সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরকারকে অবিলম্বে নিরাপত্তা দিতে হবে।বাংলার সমস্ত সাংবাদিকদের এই মুহূর্তে মিথ্যা মামলা হওয়া বন্ধ করতে হবে।ভারতবর্ষের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ কে যেভাবে বারবার হত্যা হতে হচ্ছে, নিগ্রহ হতে হচ্ছে, অপমানিত হতে হচ্ছে, মিথ্যা মামলায় ফেঁসে জেল খাটতে হচ্ছে ,সবকিছুতে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। চন্দ্রশেখর সরকার সহ একাধিক সাংবাদিক মিথ্যা মামলায় ফেঁসে গেলে, হাজতবাস হয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে সমস্ত মামলা থেকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে ।সাংবাদিকদের কণ্ঠকে কোনদিনও স্তব্ধ করা যাবে না ।আমরা দেখতে চাই সাংবাদিকের কলমের জোর বেশি, না রাজনৈতিক দুষ্কৃতীদের জোর বেশি। নোংরামি করে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে যেসব পুলিশ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে, অবিলম্বে সেইসব পুলিশের শাস্তি দিতে হবে। যত দিন যাচ্ছে সাংবাদিকদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে, এর প্রতিকার আমরা চাই।ভারতবর্ষের সংবিধানের সাংবাদিকদেরকে এইরকম মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে, তার কি কোন প্রতিকার আইন হবে না।সমস্ত সাংবাদিকদের এইভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেলার দুর্ঘটনার ফলে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ অপমানিত কি হচ্ছে না।সাংবাদিক নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা থেকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আমরা আগামী দিনে ,একই ছাতার তলায় আসতে চলেছে দেশজুড়ে।